Thursday, July 20, 2006
Wednesday, July 19, 2006
স্কুলে আজ কি শিখেছ?

স্কুলে আজ কি শিখেছ?
আমার সোনা বাবা ।
স্কুলে আজ কি শিখেছ?
আমার ছোট বাবা ।
আমি শিখেছি সরকার কখনও মিথ্যা বলেনা
আমি শিখেছি যোদ্ধারা কখনও মরেনা
আমি শিখেছি সবাই স্বাধীন ।
হ্যা, এটাই শিক্ষক আমাকে বলেছেন
স্কুলে আমি এটাই শিখেছি বাবা আজকের দিন ।
স্কুলে আজ কি শিখেছ?
আমার সোনা বাবা ।
স্কুলে আজ কি শিখেছ?
আমার ছোট বাবা ।
আমি শিখেছি পুলিশ বন্ধু জনগনের
আমি শিখেছি হাত অনেক বড় আইনের
আমি শিখেছি খুনীরা মরেই প্রায়শ্চিত্ত করে
যদিও খুনি চিনতে ভুল হতেই পারে ।
হ্যা, এটাই শিক্ষক আমাকে বলেছেন
স্কুলে আমি এটাই শিখেছি বাবা আজকের দিন ।
স্কুলে আজ কি শিখেছ?
আমার সোনা বাবা ।
স্কুলে আজ কি শিখেছ?
আমার ছোট বাবা ।
আমি শিখেছি সরকারকে ক্ষমতাবান হতে হয়
এটি সবসময়ই সঠিক, কখনই ভুল নয়
আমাদের নেতারা খুব ভাল মানুষ আর
তাদের আমরা নির্বাচিত করি বারেবার
স্কুলে আজ কি শিখেছ?
আমার সোনা বাবা ।
স্কুলে আজ কি শিখেছ?
আমার ছোট বাবা ।
আমি শিখেছি যে যুদ্ধ এতটা খারাপ নয়
আমি শিখেছি যুদ্ধের ইতিহাস গৌরবময়
আমরা করেছি যুদ্ধ জার্মানী ও ইরাকে
কোন দিন হয়ত দেবে সুযোগ আমাকে
(পিট সিগারের গানের অনুবাদ)
Posted by
Rezwan
at
7:21 PM
0
comments
Labels: যুদ্ধ
Monday, July 17, 2006
নিরাপরাধকেও মারো
নিরাপরাধকেও মারো
কারন তারাও হতে পারে টেররিস্ট ।
দুর্বলতা দেখিও না
দয়ালু হয়োনা
সংবেদনশীল হয়ো না
সাহায্যের হাত বাড়িও না
কিছুই গায়ে লাগিও না, কারন
নিজেকে নিয়ে ভাবার সময় কমে যাবে ।
বিশ্বাস করো
যুদ্ধই শান্তি,
অজ্ঞানতাই শক্তি ।
(ইংরেজী থেকে অনুবাদ
মূল: লীলা ফারজামি - ইরানী কবি )
Posted by
Rezwan
at
2:30 PM
0
comments
Labels: যুদ্ধ
Monday, July 10, 2006
বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখার অভিজ্ঞতা
বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল বার্লিনের ফ্যানমাইলেতে দশ লাখ (কতৃপক্ষের ভাষ্য, আমার মতে এত হবে না) লোকের সাথে ।
ফাইনালের টিকেট পাননি তো কি হয়েছে? ২০টির মত বড় পর্দাসহ প্রায় ৩ কিমি লম্বা এই ফ্যানমাইলেতে বিশ্বের তাবৎ দেশীয় ফ্যানদের সাথে খেলা দেখার মজাই আলাদা । সাথে ছিল খাদ্য ও বিনোদনের নানা আয়োজন । দেশের পহেলা বৈশাখের মত ফেস্টিভ আমেজ । বিভিন্ন দেশের জার্সি গায়ে, মুখে রং মেখে, বিচিত্র ভেপু বাজিয়ে উৎসবে সবার অংশগ্রহন ছিল এর প্রান। খেলায় সবার দারূূন মনযোগ । জিদানের লালকার্ড পর্ব রিপ্লে হওয়ার পর সমন্বিত বিস্ময় , প্রতিটি গোলের উচ্ছাস ; এক কথায় অবিশ্বাস্য । খেলা শেষের চুড়ান্ত উচ্ছাস ও লেজার শো অনেকদিন মনে থাকবে ।
বাড়ী ফেরার পথে বিপত্তি । অনেক দুর হেটে S Bahn ও U Bahnএ ভিটেনবার্গপ্লাটজ আসলাম । তারপর অনির্দিষ্টকালের জন্যে অপেক্ষা আর টেনশন । রাত একটা বাজে অথচ বাস আসছেনা কারন কু'দাম জুড়ে গাড়ি জট । সবাই এদিকে গাড়ি নিয়ে আসছে আর হর্ন বাজাচ্ছে । জার্মান বলেই মনে হলো এদেরকে । সঙিনী বললেন ফ্রানস জিতলেও এরকমই হত কারন তাদের আসলে ফুর্তি করার ছুতো দরকার ছিল । কয়েকমাইল হেটে অগত্যা ট্যাক্সির সন্ধান ও বাড়ি ফেরা।
হুমায়ুন আহমেদ লিখেছেন যে মানুষ চোখ দিয়ে যে সৌন্দর্য দেখে তার কিছু অংশ মাত্রই ক্যামেরা দিয়ে ধরা যায় । আশা করছি আমার তোলা ছবিগুলোতে হয়ত উৎসবের কিছুটা আমেজ পাওয়া যাবে ।
Posted by
Rezwan
at
7:40 PM
0
comments
Labels: ফুটবল
Monday, July 03, 2006
বকসিস কালচার ও আমাদের জাতিগত গর্বের প্রস্থান
স্বপ্নচারী জিগ্গেস করেছেন (http://tinyurl.com/mroq6) সিএনজি ড্রাইভাররা কেন ভিক্ষা করে?
আসলে ভিক্ষা কে করছেনা? পরোক্ষভাবে ভিক্ষা করাটা অমাদের সমাজে একটা প্রতিষ্ঠিত কালচার হয়ে দাড়িয়েছে ।
পোষ্ট অফিসে টিকিটের জন্যে টাকা দিয়েছেন তো ভাংতি চেয়ে রেখে দেয়া হলো । রিক্সা বা সি এন জি অনায়াসে বেশী চাচ্ছে । কাউকে দিয়ে কিছু কাজ করাবেন আসলের সাথে সাথে বকসিস চাই । সরকারী কোন অফিসে যাচ্ছেন বকসিস (ঘুষ) ছাড়া আপনার কাজই হবে না ।
মজার ব্যপার হলো এই বকসিস কালচার সবাই কিন্তু যায়েজ করে নিয়েছে । সি এন জি ড্রাইভার কিন্তু তার টুপি দাড়ি খুব ভাল ভাবেই ডিসপ্লে করছে । রোজার দিনে ঘুষ কিন্তু আফিসের কেরানী নিজের হাতে নেবে না । বলবে ড্রয়ারে রেখে যান ।
আসলে আমাদের জাতিগত গর্ব মনে হয় কমে যেতে শুরু করেছে । এমন একদিন ছিল যখন একজন অপরের কাছে মাথা পাতার চেয়ে না খেয়ে মরে যাওয়া শ্রেয় বলে মনে করত ।
যেখানে পশ্চিমা সমাজে unattended পন্য দোকানে বিক্রি হয় মানুষের নৈতিকতা বোধকে পুজি করে সেখানে আমরা ক্রমশই নিচের দিকে নামছি । আমাদের সমাজে এর পরিবর্তন কবে হবে কিভাবে হবে কিছুই বুঝতে পারছিনা ।
কোথাও পড়েছিলাম যে দারিদ্রতা মানুষের নীতিবোধকে ভেঙে ফেলতে বাধ্য করে । আসলেই কি কথাটি সত্য?
Posted by
Rezwan
at
6:58 PM
0
comments
Labels: সমাজ
Friday, June 30, 2006
বাংলা ব্লগিংয়ের ভবিষ্যত
আমি লিখতে বসলাম শোহেইল মতাহির চৌধুরীকে করা উপরুক্ত প্রশ্নের উত্তর পেয়ে (http://tinyurl.com/zu56e) । ওনার মত অপ্রিয় হলেও সত্য যে সামহোয়ার ইন সাইটে হয়ত শ দুয়েকের বেশী নিয়মিত ব্লগার/পাঠক নেই ।
তবে হতাশ হবার কিছু নেই । সামহোয়ারইনের 6 মাস বয়সে 2.5 মিলিয়ন হিট এবং হাজারের কাছাকাছি রেজিস্টার্ড ব্লগার (কতৃপক্ষ সঠিক সংখা জানালে বাধিত হব ) কিন্তু কোন অংশে কম প্রাপ্তি নয়। এখনও পশ্চিমবঙের বাঙালিদের এমন কমিউনিটি গড়ে উঠেনি । আমি ত মনে করি এখানে বেশ কিছু উন্নত মানের এবং বিভিন্ন ডাইমেনশনের লেখা হচ্ছে যা লিটল ম্যাগাজিন গুলো থেকে (পাঠকসংখা ও ইনটারএকটিভিটির দিক দিয়ে ) অনেকটাই বেশী কার্যকরী । এগুলো কি সমসাময়িক বাংলা সাহিত্যকে প্রভাবিত করবে না? অবশ্যই ভাল সম্ভাবনা আছে এই কমিউনিটির ।
এখন আসছি বিশ্বসমাজে ব্লগ কোন স্থান নিয়ে আছে । এটি পরবর্তী যুগান্তরী নেট প্রযুক্তি ওয়েব 2.0 এর অংশ । উন্নত দেশগুলোতে 50%-70% ইন্টারনেট ইউজাররা কমপক্ষে একটি ব্লগ মেইনটেইন করে । চিনদেশে 37 মিলিয়ন ব্লগার আছে http://tinyurl.com/nnjau যারা প্রায় সবাই চায়নীজ ভাষায় ব্লগিং করে । টেকনোরাতির গবেষনায় (http://tinyurl.com/jgfc4) ব্লগের সংখা প্রতি ছয়মাসে দ্্বিগুন হচ্ছে । সেই তুলনায় জনসংখার দিক দিয়ে বিচার করলে বাংলাদেশী ব্লগারের সংখা এখনও অনেক কম ।
এখন আসছি বাংলা বগিংকে আরো জনপ্রিয় করার পিছনে যুক্তি ও উপায় গুলো সম্পর্কে । প্রথমত: আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারনে অনেকেই ভাল লিখতে পারেননা । ইংরেজী চর্চায় আমরা যেমন গুরুত্ব দেই বাংলার পিছনে তেমন সময় ব্যয় করি না । লেখা হচ্ছে নিজের মত প্রকাশ করার একটি উপায় এবং ভাল লিখতে হলে চচ্র্চার প্রয়োজন , প্রয়োজন বেশী করে পরার। আমাদের জীবনে বই পড়ার চচ্র্চা কমে গেছে টিভির আগ্রাসনে । পত্রিকাটাও কিন্তু আমরা পড়ার সময় পাইনা ।
ইনটারনেট কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে আশির্বাদ স্বরুপ । আমি এমন সব পত্রিকা অনলাইনে পড়তে পারি যা নিজে হয়ত কোনদিন কিনে পড়তামনা ।আর যত বেশী পড়ব আমাদের তত বেশী মত তৈরি হবে । এবং মত প্রকাশের সহজ উপায় ব্লগে লেখা ।
অনেকে যারা সামহোয়ারইনের নতুন লেখকদের লেখার সমালোচনা করেন তারা ভাবেন না যে কেউ মায়ের পেট থেকে লেখা শিখে আসে না । কয়েকদিন যেতে দিন এদের লেখাও আপনাদের ভাল লাগবে । এবং যত বেশী মত হবে এবং এগুলো নিয়ে ডিবেট হবে তত বেশী করে আমাদের সমাজের সমস্যাগুলোর সমাধানের উপায় সৃস্টি হবে । আধ্যাপক আবদুললাহ আবু সাইদ "আলোকিত মানুষ" সৃষ্টির সাধনা করছেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইগুলোকে জনগনের কাছে পৌছে দিয়ে । বাংলা ব্লগিং এর মাধ্যমে অনুরুপ কিছু করা কি সম্ভব নয়?
কিন্তু সমস্যা একখানেই । আমাদের দেশে দীর্ঘক্ষন অনলাইনে থাকার সামর্থ এখনও অনেকেরই নাই (বিশেষ করে ছাত্রসমাজের) । সাবমেরিন কেবলের কোন প্রভাব এখনও ত দেখছিনা । তবে আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যমগুলো একটি কার্যকরী ভুমিকা রাখতে পারে ব্লগ কর্নার বা অনুরুপ প্রচারের মাধ্যমে । আগ্রহ সৃস্টি করাটাই আসল ।
শোহেইল মতাহির চৌধুরী বলেছেন যে বাংলা চ্যাটিং এখনও বেশী জনপ্রিয় । আমি মনে করি যে সময়ের সাথে সাথে ব্লগিংও জনপ্রিয় হবে । কারন বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে হলে এছাড়া উপায় নেই ।
আরেকটা ব্যপার হচ্ছে যে ব্লগিং এর প্রযুক্তগত অনেক উন্নতি সাধন হয়েছে । ওয়ারডপ্রেস, টাইপপ্যাড, ব্লগার ইত্যাদি প্রভাইডারের মাধ্যমে সম্ভব হচ্ছে প্রায় বিনা পয়সায় উন্নত ডিজাইনের কাষ্টমাইজড ওয়েবলগ বানানো । বাংলা ব্লগিংয়ের জন্য সামহোয়ার ইনের পাশাপাশি আরও লোকাল প্রভাইডার হয়ত ভবিষ্যতে আসবে ।
কাজেই আমি কিন্তু বাংলা ব্লগিংয়ের অফুরন্ত সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি । কিন্তু এর প্রসারে অনুঘটক হিসাবে কাজ করতে হবে সবাইকেই, যে যেভাবে পারি ।
Posted by
Rezwan
at
3:24 PM
0
comments
Labels: ওয়েবলগ
Wednesday, June 21, 2006
বার্লিন হলোকাস্ট মেমোরিয়াল
সাদিকের একটি পোষ্ট (লিনক: http://tinyurl.com/ruhdq) আমাকে লিখতে বসাল । এইতো দিন দশেক আগে সাদিকের সাথে হলোকাস্ট মেমোরিয়াল ও মিউজিয়াম দেখতে গেলাম । মিউজিয়ামটা এমন ভাবে সাজানো যে যেকোনো লোকের মনে ব্যাপারটা দারুন ভাবে নাড়া দেবে । আমারও মনটা অসম্ভব খারাপ হয়েছিল ।
মেমোরিয়ালটা ব্রান্ডেনবুর্গার গেটের কাছে অবস্থিত । এর ঠিক পাশেই নতুন আমেরিকান এমব্যাসি ভবন তৈরি হচ্ছে । এর বিশেষত্ব হচ্ছে বিভিন্ন উচ্চতার 2711টা কনকৃট স্লাব যেগুলোর চারপাস দিয়ে হাটা যায় । এটি তৈরি করতে প্রায় 28 মিলিয়ন ইউরো লেগেছে । গত বছর মে মাসে প্রথম এটি ওপেন হয় । সম্প্রতি একটি ফুড কোর্ট এর পাশে তৈরি হয়েছে ।
এর তথ্যকেন্দ্র ও মিউজিয়ামটি মাটির নিচে অবস্থিত । এর বিভিন্ন অংশ খুব সাইন্টিফিক ভাবে সাজানো । প্রথমে রয়েছে নাতসিদের ইহুদি নিধন পলিসি সম্পর্কে একটি টুর (ছবি ও লেখা) ব্যকগ্রাউন্ডসহ।
তার পর রুম অফ ডাইমেনসনস, যেখানে একটি অন্ধকার রুমে হলোকাষ্ট ভিক্টিমদের 15টি ব্যক্তিগত ডকুমেন্ট যা নাতসি নৃশংসতা সম্পর্কে ধারনা দেয় । মাটিতে বিছানো চিঠি বা চিরকুট স্পটলাইটে মাটির নিচ থেকে আলোকিত, অতিকষ্টে উৎস ও ব্যকগ্রাউন্ড পরা যায় । কিন্তু জ্বল জ্বল করছে বিষাদময় সত্য । আট বছরের ছোট মেয়ে লিখেছে: 'বাবা ওরা আমাদের মেরে ফেলবে । তোমাকে বুকে জড়াতে পারলামনা কিন্তু জেন আমি তোমাকে খুবই ভালোবাসি ।'
পরের সেকশন রুম অফ ফ্যামিলিস যেখানে ইউরোপের 15টি ইহুদি পরিবারের শুরু থেকে নাতসি ভিকটিম হওয়া পর্যন্ত বর্ননা করা হয়েছে স্থির ও চলমান চিত্র এবং বিভিন্ন ডকুমেন্টের মাধ্যমে । এখান থেকে বোঝা যায় যে তারা কতটা প্রতিষ্ঠিত ছিল এবং কিভাবে তাদের ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে ।
তার পরে রয়েছে একটি বিশাল রুম যেখানে ইহুদি ভিকটিমদের নাম ও বায়োগ্রাফি পড়া হচ্ছে । সাথে সাথে চার দেয়ালে প্রজেক্ট হচ্ছে মৃতদের নাম এবং জন্ম ও মৃত্যুর সন । যদি সব কজন হলোকাষ্ট ভিক্টিমদের নাম একসাথে পড়া হয় তাহলে প্রায় সাড়ে ছ বছর লেগে যাবে । আন্দাজ করতে পারছেন কি পরিমান মানুষকে মারা হয়েছিল?
এই রুমের পাশেই রয়েছে সবার সুবিধার জন্যে সারি সারি কম্পিউটার টার্মিনাল যাতে ভিক্টিমদের ডাটাবেজ এক্সেস করা যায়। তিন মিলিয়নের উপর এন্ট্রি রয়েছে এই ডাটাবেজে (ইয়াদ ভাশেম, ইজরায়েলী) ।
এর পরে রয়েছে রুম অফ সাইটস যেখানে কনসেন্ট্রেশন ক্যম্প, ডিপোর্টেশন রুট ইত্যাদি স্পর্কে বিস্তারিত । প্রচুর হিস্টোরিকাল ফুটেজ, ছবি ও ডকুমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে এতে । এক নাৎসি মেজর রিপোর্ট পাঠিয়েছেন তার সুপিরিয়রকে, লাখো লোক মারার লিষ্ট এবং সাথে ম্যাপ কোথায় কত মারা হয়েছে । গর্বের সাথে উল্লেখ, একটি অনচল ইহূদি মুক্ত ।
এসব দেখার পরে একজন নিও নাৎসিদেরও মনে উপলব্ধি আশা বাধ্য যে পৃথিবীতে এত পাপ খুব কমই হয়েছে । আমার ও গায়ে কাটা দিয়ে উঠছিল ।
আমিও সাদিকের সাথে একমত যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রান দিয়েছে তাদের জন্যে এরকম একটা মেমোরিয়াল খুবই দরকার । মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর নিশ্চয়ই প্রশংসনীয় উদ্দোগ কিন্ত ট্রাডিশনাল ডিসপ্লে ও স্বল্প কনটেন্ট খুব কার্যকরী নয় । মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী প্রজন্ম যাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধ শুধুই 'গন্ডগোলের সময়' ছিল তাদের নাড়া দেয়ার জন্যে এমন উদ্দোগ জরুরি । কত লাগবে? 200-250 কোটি টাকা । বাংলাদেশকি পারবেনা?
আমি আর সাদিক পরে গিয়েছিলাম বার্লিনের ইহূদি মিউজিয়ামে , আমার দেখা সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ও ইন্টারএকটিভ একটা মিউজিয়াম। ওখানে গেলে বুঝতে পারা যায় কেন জার্মান জাতি ইহুদিদের উপর বিরুপ মনোভাব পোষন করত । আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ব্যকগ্রাউন্ড ও বাঙালী জাতি সস্পর্কে এমন মিউজিয়াম প্রয়োজন । এটি পরবর্তীতে লিখব ।
Posted by
Rezwan
at
6:35 PM
0
comments
Labels: বার্লিন

